ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ উপশহর আশুলিয়ায় বাড়ির অব্যবহৃত জায়গাগুলো উৎপাদনশীল পুষ্টি বাগানে রূপান্তরিত হচ্ছে। সাধু পাড়ার ৫৪ বছর বয়সী বাসিন্দা মো. আমির হোসেন তাঁর অবহেলিত বাড়ির পেছনের উঠোনকে সারা বছর তাজা সবজির উৎসে পরিণত করেছেন, যা তাঁর খাদ্য নিরাপত্তা ও পারিবারিক আয় উভয়ই বাড়িয়েছে।.
বাংলাদেশে অবস্থিত সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের অর্থায়নে এবং অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যাট লোকাল লেভেল (কল)’ কর্মসূচির অধীনে ‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন’-এর সহায়তায় তিনি মৌসুমি সবজির বীজ, জৈব সার এবং কারিগরি নির্দেশনা পেয়েছেন।.
পূর্বে দামী বাজারের সবজির উপর নির্ভরশীল আমির হোসেন এখন পালং শাক, টমেটো, ঢেঁড়স, বেগুন ও লাউসহ বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করেন। একদিন পর পর সেচ, শস্য পর্যায়ক্রম এবং জাল দিয়ে ঘেরার মতো উন্নত পদ্ধতির মাধ্যমে তিনি সফলভাবে সারা বছর ধরে নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন বজায় রাখেন।.
বর্তমানে তার বাগান থেকে পাঁচ সদস্যের পরিবার প্রতিদিন তাজা সবজি পায়, যা তাদের খাদ্যাভ্যাসের বৈচিত্র্য ও পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি করে। উদ্বৃত্ত ফসল থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৬০০-৮০০ টাকা অতিরিক্ত আয় হয় এবং পারিবারিক খরচও কমে আসে।.
তার সাফল্য প্রতিবেশীদের অনুরূপ পদ্ধতি গ্রহণে অনুপ্রাণিত করেছে, যা গোষ্ঠীগত পরিবর্তনে সহায়তা করছে। এই উদ্যোগটি দেখায় যে, কীভাবে ছোট পরিসরে বাড়ির পেছনের বাগান জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে, বছরব্যাপী পুষ্টি নিশ্চিত করতে এবং শহরতলীর আশেপাশে জীবিকা শক্তিশালী করতে পারে।.


